1. miahmohammadshuzan@gmail.com : Central News :
  2. centralnewsbd24@gmail.com : CNB BD : CNB BD
৫৫টি গ্রাম মেলার মাধ্যমে গ্রামীণ কমিউনিটির জন্য ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র চালু | Central News BD
বুধবার, ২২ মে ২০২৪, ০১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে কামরু প্রথমবার, পীরগঞ্জে মণ্ডলের হ্যাট্রিক ফিলিস্তিনে যুদ্ধ বিরতি কার্যকর দাবীতে রংপুরে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভে পুলিশের বাঁধা রংপুরে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের তিন সদস্যের সাজা প্রদান বড় চমক রেখে শক্তিশালী দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার রংপুরে সামাজিক সম্প্রীতি ও নাগরিকত্ব বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত বেরোবিতে গাইবান্ধা জেলা সমিতির নেতৃত্বে মোশফিকুর-শাকিল নারীদের জীবনমান উন্নয়নে নীলফামারীর ডিমলায় মহিলা সমাবেশ এরশাদের সমাধিতে পুষ্পমাল্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জিএম কাদের দ্বাদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন ৫ জুন ক্রেতারা প্লট বা ফ্ল্যাট কিনে যেন হয়রানির শিকার না হয় : রিহ্যাবকে রাষ্ট্রপতি 

৫৫টি গ্রাম মেলার মাধ্যমে গ্রামীণ কমিউনিটির জন্য ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ১০৮ জন সংবাদটি পড়েছেন

বাংলাদেশে তৃণমূল পর্যায়ের ৫৫টি উৎপাদন কারী সংগঠন এবং তাদের শীর্ষ সংগঠন সারা বাংলা কৃষক সোসাইটি, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় তাদের গ্রামে ডিজিটাল গ্রাম সেবা কেন্দ্র স্থাপন করছে সরকারের রূপকল্পে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয় এবং এফএও-র সারাবিশ্বে ১ হাজার ভিজিটাল গ্রাম উদ্যোগে অনুপাণিত হয়ে সারা বাংলা কৃষক সোসাইটি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য ডিজিটাল কৃষি সেবা বৃদ্ধিতে সারা দেশে ৫৫টি ডিজিটাল গ্রাম মেলার আয়োজন করেছে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ সেবা কেন্দ্রগুলা চালু করেছে।

বদরগঞ্জ উপজেলার ওসমানপুর ফাজিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল প্রাম মেলা চালু অনুষ্ঠানে সারা বাংলা কৃষক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বদরগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি সুইট।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, বদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আহসানুল হক চৌধুরী টুটুল, উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম, ওসমানীপুর ফাজিল মাদ্রাসার সভাপতি ও বদরগঞ্জ মহিলা কলেজের সহকারি অধ্যক্ষ মাহফুজুল হক চেধৈুরী লিঠন, ১৪ নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফিন্দিউল হাসান চৌধুরী শান্ত, ওসমানীপুর ফজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ শাহাজাহান আলী,

বদরগঞ্জ উপজেলা সেবাদানকারী কৃষি সমবায় লিমিটেড ও ওসমানপুর খামারের ডাংঙ্গা কৃষি সমবায় লিমিটেডের আয়োজনে সারা বাংলা কৃষক সোসাইটির সহায়তায় ও জাতি সংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার অর্থায়ন।

রংপুর বদরগঞ্জের স্থানীয় এক মৃৎশিল্পী বলেন, ‘প্লাস্টিকের তৈরি পণ্যে বাজার সয়লাব হওয়ায় আমরা পাল সম্প্রদায় যারা মৃৎশিল্পের মাধ্যমে আমাদের জীবিকা চালাই তারা হিমশিম খাচ্ছি। আমি ডিজিটাল অপারেটরের কাছে বিষয়টি জানিয়েছি এবং সে আমাকে বলেছে তারা আমাদের ডিজাইন উন্নত করতে এবং অনলাইন মার্কেটে ন্যায্যমূল্যে আমাদের পণ্যগুলো বিক্রয় করতে সহায়তা করতে পারবে।

বরগুনার কুমড়াখালী গ্রামের সেবা কেন্দ্র অপারেটর রাজিয়া খাতুন বলেন, ‘আমাদের গ্রামবাসীকে কোনো কিছু পিন্ট করতে বা কৃষিকাজ অথবা বয়স্ক/বিধবা ভাতা সম্পর্কে তথ্য পেতে দূরের বাজারে যেতে হয়। ডিডিটাল গ্রাম সেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল সেবাগুলো এখন আমাদের বাড়ির কাছেই পাওয়া যায়। এছাড়াও কেন্দ্রগুলো গ্রামের যুব-যুবাদের আইসিটি প্রশিক্ষপ প্রদান করে যারা আমাদের এলাকার বড় সম্পদ।

বাঙালি ঐতিহ্য অনুযায়ী গ্রামের প্রায় সকল সম্প্রদায় ডিজিটাল গ্রাম মেলায় অংশ নিয়েছে- এ যেন এক মিলন মেলা। মেলায় ভিজিটাল গ্রাম সেবা কেন্দ্রের স্টলে সমস্ত ডিজিটাল সেবা দর্শকদের জন্য প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া উপজেলা কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য কর্মকর্তা থেকে শুরু করে ছানীয় ব্যাংক, মোবাইল অপারেটর, মোবাইল আর্থিক লেনদেন সেবা প্রদানকারী, নার্সারী এবং উপকরণ সরবরাহকারী কোম্পানি তাদের সেবা ও পণ্য প্রদর্শনের জন্য আলাদা আলাদা স্টল দিয়েছে।

সারা বাংলা কৃষক সোসাইটি’র সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল হক বলেন, আমরা গ্রামের সাধারণ মানুষদের ডিজিটাল গ্রাম সেবা কেন্দ্রর সেবাগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য এই মেলার আয়োজন করেছি। সেবা কেন্দ্রগুলোকে গ্রামবাসীরা নিজেদের ঘর গৃহস্থালী মনে করে তথ্য আদান-প্রদান, সরকারি, বেসরকারি খাত এবং ব্যাংকের সাথে সহজেই সংযুক্ত হতে পারবে।

স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, সম্প্রসারণ সংস্থা এবং উৎপাদনকারী সংগঠনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা মেলার উদ্বোধন করেন। স্থানীয় হস্তশিল্প শ্রমিক, মৃৎশিল্পী, বাঁশ ও বেতের কারিগর এবং ক্ষুদ্র খাদ্য উদ্যোক্তারাও মেলায় তাদের পণ্য বিক্রি করতে আসেন। মেলায় বাঙালি ঐতিহ্যবাহী খেলাধূলা, লোকগান ও মঞ্চ নাটকেরও আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণ কারীরা উৎসব মুখর পরিবেশে আনন্দ পেয়েছে এবং ডিজিটাল সেবা সম্পর্কে জানতে পেরেছে।

প্রতিটি ডিজিটাল গ্রামে একটি ভার্চুয়াল কল সেন্টার (ভিসিসি) রয়েছে, যা কৃষি উপকরণ ক্রয় এবং একসাথে ক্ষুদ্র কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির সুবিধা দেয়। করোনা মহামারী শুরু হওয়ার পর থেকে ১০ হাজারেরও বেশি উৎপাদনকারী লাভবান হয়েছেন। প্রতিদিন গড়ে ১৯২ জন কৃষক ভিসিসির সেবা নিয়ে থাকেন, যার ৪৮ শতাংশ নারী। ভিসিসি’র মাধ্যমে ৭ কোটি টাকার বেশি কৃষি পণ্য বিক্রি করা হয়েছে এবং ১ কেটি টাকার বেশি কৃষি উপকরণ ক্রয় করা হয়েছে।

সারা বাংলা কৃষক সােসাইটি’র নেতৃবৃন্দ দৃঢভাবে জানিয়েছেন, এই উদ্যোগটি করোনা মহামারীতে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঝুঁকি কমিয়েছে।

বাংলাদেশের এফএও প্রতিনিধি রবার্ট সিম্পসন বলেন, সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ উদ্যোগের সাথে সামঞ্জস্য রেখে একএওর ডিজিটাল গ্রাম উদ্যোগ কাজ করছে যাতে কৃষি পরিষেবা গুলো ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের দোরগোড়ায় পৌছে যায়, ডিজিটাল সংযোগ বাড়ে এবং জীবন মানের উন্নতি হয়।

এফএও শক্তিশালী গ্রামীণ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য গ্লোবাল এগ্রিকালচার এন্ড ফুড সিকিউরিটি প্রোগ্রামের মিসিং মিডল

ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে সারা বাংলা কৃষক সোসাইটিকে সহাযতা করছে যাতে তারা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের চাহিদা ভিত্তিক কৃষি ব্যবসা সেবাগুলো প্রদান করতে পারে।

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

© ২০২১-২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সেন্ট্রাল নিউজ বিডি.কম

Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )