1. miahmohammadshuzan@gmail.com : Central News :
  2. centralnewsbd24@gmail.com : CNB BD : CNB BD
রমজান মাসে কুমিল্লার মুড়ির গ্রামে ব্যস্ততা বেড়েছে | Central News BD
সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন

রমজান মাসে কুমিল্লার মুড়ির গ্রামে ব্যস্ততা বেড়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ৭৫ জন সংবাদটি পড়েছেন

রমজান মাসকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার মুড়ির গ্রামে ব্যস্ততা বেড়েছে। কুমিল্লার বরুড়ার উপজেলার লক্ষীপুর গ্রাম। এখন সেই গ্রামে চলছে রমজান মাসের জন্য মুড়ি ভাজার ব্যস্ততা। এ গ্রামে শত বছর ধরে মুড়ি ভাজা হয়।হাতে ভাজা মুড়ির জন্য এ গ্রাম প্রসিদ্ধ।

চৈত্রের খরতাপ। তার মধ্যে দুপুরে কাঠের চুলা জ্বালিয়ে মুড়ি ভাজছেন নারীরা। কেউ মুড়ি চালুন দিয়ে পরিস্কার করছেন। পুরুষরা মুড়ি বস্তায় ভরে মুখ সেলাই করছেন।

বৃহম্প্রতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় লক্ষীপুর গ্রামের প্রদীপ পালের বাড়িতে এ দৃশ্য দেখা যায়। এমন দৃশ্য দেখা যাবে গ্রামের ৫০ পরিবারে। কারো কথা বলার সুযোগ নেই। পরিবারের ছেলে বুড়ো সবাই ব্যস্ত। গ্রামের পাশে পিকাপ ভ্যানে ও ট্রাকে তুলে দেয়া হচ্ছে মুড়ির বস্তা। সেগুলো নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, ঢাকা ও সিলেটে।

প্রদীপ পাল বাসসকে বলেন, তারা সারা বছর মুড়ি ভাজেন। হাতে ভাজা মুড়ির চাহিদা রয়েছে। হাতে ভাজা মুড়িতে শুধু লবণ পানি দেয়া হয়। এগুলো খেতেও সুস্বাদু। দাম একটু বেশি হলেও সচেতন মানুষ হাতে ভাজা মুড়িই বেশি খোঁজ করেন। কুমিল্লায় আগে বরুড়ার রামমোহন বাজার সংলগ্ন গোপালনগর ও দাদিসারে বেশি মুড়ি ভাজা হতো।

আরও পড়ুন:

গণমাধ্যমকর্মী আইনের খসড়া নিয়ে তথ্যমন্ত্রীর মতবিনিময়

 

সেখানে এখন মুড়ি ভাজা কমে এসেছে। শুধু লক্ষীপুরে বেশি ভাজা হয়। রোজার সময় তাদের মুড়ির চাহিদা বেশি। তাই ব্যস্ততাও বেশি। তারা এখন গিগজ ধানের মুড়ি ভাজছেন। আরো পরে ভাজবেন টাবি ধানের মুড়ি।

গ্রামের আরেক ব্যবসায়ী হরি চরণ পাল জানান, গিগজ ও টাপি এ দুই রকমের চাল দিয়ে মুড়ি ভাজা হয়। জেলার লাকসামের বিজরা বাজার ও লালমাই উপজেলার বিজয়পুর বাজার থেকে এ দুই ধরনের চাল কিনে আনা হয়। চালের দাম কম বলে গত বছরের তুলনায় এ বছর হাতে ভাজা মুড়ির দাম কমেছে।

তিনি বলেন, আমরা পাইকারদের কাছে ৫০ কেজির এক বস্তা বিক্রি করি প্রায় চার হাজার টাকায়। তারা এসে ট্রাক বা পিকআপভ্যানে করে মুড়ি নিয়ে যায়।

ওই বাড়ির আরেক মুড়ি উৎপাদনকারী লতাবর্মণ পাল বাসসকে বলেন, গ্রামের ৫০ পরিবার প্রতিদিন প্রায় ৯০ বস্তা মুড়ি ভাজেন। প্রতি বস্তাায় ৪৫ কেজি মুড়ি থাকে। তারা পাইকারি প্রতি কেজি ১০০ টাকা থেকে ১১০ টাকা বিক্রি করেন। খুচরা বাজারে তা ১২০ থেকে ১৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

কুমিল্লার চকবাজারের মুড়ি ব্যবসায়ী মো. জাকির হোসেন বাসসকে বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরেই লক্ষ্মীপুর গ্রাম থেকে মুড়ি আনি। আমার কিছু নির্দিষ্ট ক্রেতা আছে, হাতে ভাজা মুড়ি কেনার। এ ছাড়া এখনও মেশিনে তৈরি মুড়ির তুলনায় হাতে ভাজা মুড়ির চাহিদা ভালো।

লক্ষ্মীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাশেম বাসসকে বলেন, এখন হাতে ভাজা মুড়ি তেমন পাওয়া যায় না। তবে তাদের বাবা-দাদারাও এ কাজ করতেন। তারাও এ পেশায় নিয়োজিত আছে। একদম বিশুদ্ধ হাতে ভাজা মুড়ি তারা উৎপাদন করে। আমি অবশ্যই তাদের এ কাজ অব্যাহত রাখতে যা যা করা যায় করবো।

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

© ২০২১-২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সেন্ট্রাল নিউজ বিডি.কম

Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )