1. miahmohammadshuzan@gmail.com : Central News :
  2. centralnewsbd24@gmail.com : CNB BD : CNB BD
প্রধানমন্ত্রীর বেইজিং সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে মাইলফলক হবে: চীনা রাষ্ট্রদূত | Central News BD
সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার কে দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী রংপুরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যান্ডার পর স্বামীর আত্মহত্যা বলে প্রচারনা কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা রংপুরে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন বেরোবিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের গণপদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান গুলির ঘটনায় মুখ খুললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প আজ গণপদযাত্রা করে রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দেবে কোটা আন্দোলরকারীরা আজ সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী হামাসকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণা আর্জেন্টিনার রংপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের সাথে রংপুর জেলার নবাগত পুলিশ সুপারে মতবিনিময় সভা।

প্রধানমন্ত্রীর বেইজিং সফর বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে মাইলফলক হবে: চীনা রাষ্ট্রদূত

সিএনবি ডেক্স
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই, ২০২৪
  • ৭ জন সংবাদটি পড়েছেন

বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বৃহস্পতিবার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেইজিং সফর চীন-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিহাসে আরেকটি মাইলফলক হবে।

তিনি বলেন, ‘এই সফর নিশ্চিতভাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতায় প্রাণবন্ত প্রেরণা জোগাবে এবং চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে সহযোগিতার কৌশলগত অংশীদারিত্বের নতুন অর্জনে এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে একটি নতুন উচ্চতায় উন্নীত করবে।’
চীনের রাষ্ট্রদূত আজ জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিসিএবি) ফ্ল্যাগশিপ ইভেন্ট ডিক্যাব টক অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন।

আগামী ৮ থেকে ১১ জুলাই চীনে দ্বিপাক্ষিক সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক সর্বকালের সর্বোত্তম এবং পরস্পরের কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদার হিসেবে উন্নয়নের জন্য প্রচুর সুযোগ গ্রহণ করছে।

ইয়াও ওয়েন আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই চীন সফর সর্বস্তরের মানুষের কাছেই অত্যন্ত প্রত্যাশিত। এই সফরটি আগামী পাঁচ বছর বা তারও বেশি সময়ে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরো জোরদার করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, এই সফরটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহারিক সহযোগিতার জন্য একটি নতুন রূপরেখা দেবে এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে আমাদের অবস্থানগুলোকে সমন্বয় করার জন্য দুই দেশের জন্যই সুযোগ এনে দেবে।

ইয়াও ওয়েন বলেন, এই সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী চীনের নেতাদের সঙ্গে দেখা করবেন। সফরকালে বেশ কয়েকটি সহযোগিতার নথি সই হবে এবং যৌথভাবে সহযোগিতার বড় অর্জনগুলো ঘোষণা করা হবে।

চীনা রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, এই সফরের মাধ্যমে উভয় পক্ষ একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন এবং সর্বস্তরে যোগাযোগ আরও জোরদার করবে।
চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, বেইজিং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরকে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা আরও গভীর, উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয়কে শক্তিশালী, ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বকে সুসংহত এবং চীনের জাতীয় পুনর্জাগরণের স্বপ্ন ও বাংলাদেশের ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
ইয়াও ওয়েন আরো বলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক শক্তিশালী ভিত, গতিশীলতা ও উন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে গর্ব করে। এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আমাদের দুই জনগণের কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থন অর্জন করেছে এবং সম্পর্কটির উন্নয়নের গতিধারা শক্তিশালীভাবে অব্যহত থাকবে।’

তিনি বলেন, চীন অবকাঠামো, ডিজিটাল অর্থনীতি, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও দু’দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্কের ক্ষেত্রে আরও বাস্তব ফলাফল অর্জনে বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে আগ্রহী এবং এটা বাংলাদেশকে আধুনিকায়ন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে। চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘কীভাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উন্নীত করা যায়, বিনিময়ের পরিধি প্রসারিত করা যায়, সহযোগিতার সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যায় এবং আমাদের দুই দেশ ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ককে আরও ভালো, গভীর ও ঘনিষ্ঠ করে তোলা যায়- সেজন্য উভয় পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।’ ইয়াও ওয়েন আরো বলেন, আসন্ন সফরের মাধ্যমে দুই পক্ষ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সমন্বয় ও সহযোগিতাকে আরও বাড়াবে, যৌথভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৈধ অধিকার ও স্বার্থ এবং আন্তর্জাতিক ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচার বজায় রাখবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন ব্রিকসের অংশীদার দেশ হওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রস্তাবকে সমর্থন করে এবং আশা করে যে বাংলাদেশ দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্রিকসের সদস্য হবে।  তিনি বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন বজায় রেখেছে এবং এর অর্থনৈতিক শক্তি দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় স্থানে উঠেছে, এইভাবে একটি ‘বে অফ বেঙ্গল মিরাকল’ তৈরি করেছে।

ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানবিক মনোভাবের প্রশংসা করে। চীন সক্রিয়ভাবে মিয়ানমার সংঘাতে জড়িত সকল পক্ষকে একটি যুদ্ধবিরতি এবং সংলাপে বসানোর জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছে- যা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের পথ প্রশস্ত করছে।

ইয়াও আরো বলেন, ‘চীন বাংলাদেশকে বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রে সমর্থন, যৌথভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোর বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার উন্নয়নে প্রস্তুত।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের অভিন্ন মূল্যবোধ, জাতীয় স্বপ্ন ও উন্নয়নের পথ রয়েছে।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন বাংলাদেশের সাথে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচটি নীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে, রাজনৈতিক পারস্পরিক বিশ্বাসকে সুসংহত করতে এবং চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে পারস্পরিক শ্রদ্ধার মডেল ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বিজয়ী সহযোগিতার মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে প্রস্তুত।
রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফরের মাধ্যমে দুই পক্ষ বাস্তবসম্মত সহযোগিতায় নতুন অগ্রগতি অর্জন করবে এবং এটা উভয় দেশের জনগণের জন্য আরও সুবিধা বয়ে আনবে।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, এটা প্রমাণিত হয়েছে যে- চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার এবং সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু।  তিনি বলেন, আধুনিকায়নের দিকে বাংলাদেশের যাত্রা প্রসঙ্গে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) ভিশন-২০৪১ ও ‘সোনার বাংলার’ স্বপ্নের সাথে সাথে বাংলাদেশের জাতীয় অবস্থার সাথে অত্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তিনি বলেন, ‘চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার এবং বিদেশী বিনিয়োগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস।’ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ডিক্যাবের সভাপতি নুরুল ইসলাম হাসিব ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান অপু।

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

© ২০২১-২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সেন্ট্রাল নিউজ বিডি.কম

Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )