1. miahmohammadshuzan@gmail.com : Central News :
  2. centralnewsbd24@gmail.com : CNB BD : CNB BD
আজও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেন না ভাষাসৈনিক দবিরুল ইসলাম | Central News BD
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন

আজও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেন না ভাষাসৈনিক দবিরুল ইসলাম

প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১১৪ জন সংবাদটি পড়েছেন

বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অ্যাডভোকেট দবিরুল ইসলাম। তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূচনা পর্বে যে কজন সাহসী সূর্য সন্তান তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন, দবিরুল ইসলাম তাদেরই একজন।

রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ আন্দোলন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের ন্যায্য আন্দোলন, পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ গঠন, যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন এ সবের পিছনে অসামান্য অবদান রেখেছেন ছাত্রনেতা দবিরুল ইসলাম। তৎকালীন সময়ে অনলবর্ষী বক্তা হিসেবেও তরুণ ছাত্রনেতা দবিরুলের খ্যাতি ছিল চারদিকে।

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে আইয়ুব সরকারের নির্যাতনের শিকার হন তিনি। আন্দোলন চলাকালে গ্রেফতার হলে তখনও তার ওপর ব্যাপক নির্যাতন চলে। জেল থেকে বেরিয়ে ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়ী হন তিনি। নানান রোগে আক্রান্ত হয়ে ১৯৬১ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াড়াঙ্গি উপজেলার পাড়িয়া গ্রামে চিরতরে ঘুমিয়ে আছেন এ ভাষা সৈনিক।

তবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির অভাবে ইতিহাসের স্মৃতি থেকে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছেন দবিরুল ইসলাম। তাই ভাষা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী ত্যাগী এই সৈনিকের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে স্বীকৃতির পাশাপাশি পাঠ্যবইয়ে তার জীবন-দর্শন অন্তর্ভুক্তিরও দাবি উঠেছে তার পরিবার ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে।

কীর্তিমান এ রাজনীতিবিদের জীবন সম্পর্কে ঠাকুরগাঁও জেলার ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আকবর হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে দবিরুল ইসলামের সঙ্গে আরও অনেকে কারাবন্দি হন। দিনাজপুর কারাগারে তার ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হয়। এতে তার হার্টের একটি ভাল্ব নষ্ট হয়ে যায়। যার কারণে ধুকে ধুকে মারা যান তিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাবার স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হোক এবং তার জীবনী পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক। যাতে নতুন প্রজন্ম ভাষা আন্দোলন এবং তার জীবনী জানতে পারে।’

দবিরুলের স্ত্রী আবেদা ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আমার স্বামীর ভালো সম্পর্ক ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার স্বামীকে জাতীয়ভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। সরকারের কাছে শুধু আমার স্বামীর রাষ্ট্রীয় মূল্যায়ন চাই।

লাহিড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিল্লুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, দবিরুল ইসলামের জীবন দর্শন, ভাষার জন্য অবদানের কথা নতুন প্রজন্মকে জানাতে তার জীবনী পাঠ্য বইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হলে নতুন প্রজন্মের কাছে তিনি মরেও বেঁচে থাকবেন।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, কয়েক বছর আগে মরহুম দবিরুল ইসলামকে জেলা প্রশাসনের পক্ষে সম্মাননা জানানো হয়েছে। এছাড়া তার স্মৃতিস্তম্ভ আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। তার জীবনী পাঠ্য বইয়ে অন্তর্ভুক্তির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো।

সুত্র: তানভীর হাসান তানু/জাগোনিউজ২৪ থেকে নেয়া

আপনার সোস্যাল মিডিয়ায় শেয়ার দিন

এই ক্যাটাগরীর আরও খবর

© ২০২১-২৩ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সেন্ট্রাল নিউজ বিডি.কম

Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )